আজ : রবিবার, ২৩শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

জাতীয় স্কেলে বেতন পাবেন মসজিদের খতিব-ইমাম ও মুয়াজ্জিন


প্রতিবেদক
জনতার মেইল.ডটকম

প্রকাশিত: ৫:০৪ অপরাহ্ণ ,১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ | আপডেট: ৫:০৭ অপরাহ্ণ ,১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
জাতীয় স্কেলে বেতন পাবেন মসজিদের খতিব-ইমাম ও মুয়াজ্জিন

জনতার মেইল ডেস্ক।। ইসলামী শিক্ষা ও সংস্কৃতি প্রসারে দেশের সব মসজিদের খতিব ও ইমামরা জাতীয় স্কেলে বেতন-ভাতা পাবেন। একইভাবে বেতন পাবেন সংশ্লিষ্ট মসজিদের মুয়াজ্জিন ও খাদেমরাও। ইসলামী মূল্যবোধেরউন্নয়ন ও সংস্কৃতি বিকাশের উদ্দেশে দেশব্যাপী মডেল মসজিদ কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় মোট ৫৬০টি মসজিদ নির্মাণ করা হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের মহাপরিচালক সামীম মোহাম্মদ আফজাল বলেন, ‘সারা দেশের ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণের একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। একনেকে অনুমোদন পাওয়া প্রকল্প প্রস্তাব অনুযায়ী মডেল মসজিদের খতিব ও ইমামসহ সবাই জাতীয় স্কেলে বেতন-ভাতা পাবেন। এর মাধ্যমে মসজিদগুলোকে সরকারি কাঠামোতে আনার প্রাথমিক উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে সারা দেশের তিন লাখ মসজিদকেও এর আওতায় আনার চিন্তাভাবনা রয়েছে।’
জানা গেছে, প্রকল্পের প্রতিটি মসজিদের খতিব জাতীয় বেতন স্কেলের ৮ম গ্রেডে বেতন-ভাতা পাবেন। সে হিসাবে একজন খতিবের মূল বেতন হবে ২৩ হাজার টাকা। এর সঙ্গে স্থান ভেদে বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ভাতা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক ভাতাসহ আরও ১০ হাজার টাকা পাবেন। ফলে একজন খতিব কমবেশি প্রায় ৩৭ থেকে ৩৪ হাজার টাকা বেতন-ভাতা পাবেন। একইভাবে একজন ইমাম ৯ম গ্রেডে বেতন-ভাতা বাবদ সাড়ে ৩৫ থেকে ৩৩ হাজার টাকা, একজন মোয়াজ্জিন ১৮ থেকে ১৫ হাজার টাকা বেতন পাবেন। এছাড়া খাদেম পাবেন প্রায় ১৬ থেকে সাড়ে ১৪ হাজার টাকা। প্রতিটি মসজিদে একজন নাইটগার্ডও থাকবে। যারা বেতন পাবেন ১৫ থেকে ১৪ হাজার টাকা পর্যন্ত।

বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা মহিবুল্লাহ হিল বাকি নদভী বলেন, ‘এটি সরকারের ভালো উদ্যোগ। প্রকল্পের মাধ্যমে শুরু হলেও একদিন দেশের সব ইমাম এর আওতায় আসবে বলে আমরা আশাবাদী। এটি কার্যকর হলে ইমাম-মোয়াজ্জিনদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নতি হবে। পাশাপাশি কোরআন-হাদিস অনুযায়ী মানুষকে সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজ থেকে বিরত থাকার ব্যাপারে কার্যকর ভূমিকা রাখা যাবে।

প্রতিটি মসজিদ হবে একই মডেলের। ৫ বা ৬ তলাবিশিষ্ট এ মডেল মসজিদের জন্য জায়গা লাগবে প্রায় ৪০ শতক। প্রতিটি মসজিদ তৈরিতে প্রাথমিকভাবে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে সাড়ে ১৪ কোটি টাকা। চারটি সিটি কর্পোরেশন ও ৬৪টি জেলা শহরের ৬৮টি মডেল মসজিদে লিফট-এসি থাকলেও উপজেলা ও উপকূলীয় এলাকাসহ বাকি ৪৯২টিতে তা থাকছে না। এসব মসজিদে প্রতিদিন চার লাখ ৪০ হাজার ৪৪০ পুরুষ ও ৩১ হাজার ৪০০ জন নারীর নামাজের ব্যবস্থা থাকবে।

Comments

comments