আজ : শনিবার, ১৫ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ১লা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

দুর্নীতি করে ফুটানি-ফাটানি করা এটা এদেশের মানুষ বরদাশত করবে না


প্রতিবেদক
জনতার মেইল.ডটকম

প্রকাশিত: ৯:০৮ অপরাহ্ণ ,১৬ নভেম্বর, ২০১৯ | আপডেট: ৯:৩৭ অপরাহ্ণ ,১৬ নভেম্বর, ২০১৯
দুর্নীতি করে ফুটানি-ফাটানি করা এটা এদেশের মানুষ বরদাশত করবে না

বিশেষ প্রতিনিধি।। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, অসৎ উপায়ে অর্থ উপার্জন করে সেটা দিয়ে বিলাস ব্যাসনে জীবনযাপন করা, আর ফুটানি-ফাটানি করা – এটা কখনো এদেশের মানুষ বরদাশত করবে না।

১৬ অক্টোবর-১৯ শনিবার রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বেচ্ছাসেবক লীগের তৃতীয় জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একথা বলেছেন।

প্রধানমস্ত্রী বলেন- আমরা এই দেশ থেকে মাদক-সন্ত্রাস-দুর্নীতি দূর করতে চাই। এর বিরুদ্ধে যে অভিযান চলছে সেই অভিযান আমরা অব্যাহত রাখব। বাংলাদেশের মানুষের জীবনে শান্তি-নিরাপত্তা আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। আর একটা শান্তিপূর্ণ পরিবেশ থাকলেই উন্নতি সম্ভব।

প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন রেখে বলেন, কেন দুর্নীতি করে, চুরি করে টাকা বাড়াতে হবে। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, চাঁদাবাজি দুর্নীতি, অসৎ উপায়ে অর্থ উপার্জন করে সেটা দিয়ে বিলাস ব্যাসনে জীবনযাপন করা, আর ফুটানি-ফাটানি করা – এটা কখনো এদেশের মানুষ বরদাশত করবে না। অসৎ পথে উপার্জিত অর্থ দিয়ে বিরিয়ানি খাওয়ার থেকে সৎ পথে নুন-ভাত খাওয়া অনেক মর্যাদার, অনেক সম্মানের, অনেক ভালো। এটাই হলো বাস্তবতা।

তিনি বলেন, একজন রাজনীতিবিদের জীবনে কী পেলাম না পেলাম- এ চিন্তা না করে মানুষের জন্য কী দিতে পারলাম সেই চিন্তা করা উচিত।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পেঁয়াজ নিয়ে এখন একটা সমস্যা চলছে। সব দেশেই পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, এটা ঠিক। কিন্তু আমাদের দেশে কেন কী কারণে এত অস্বাভাবিকভাবে লাফিয়ে লাফিয়ে দাম বাড়ছে জানি না। তবে, আমি ব্যবস্থা নিয়েছি। এখন আমরা বিমানের কার্গোতে করে পেঁয়াজ আমদানি করে নিয়ে আসছি। আমরা দেখতে চাই এ ধরনের চক্রান্তের সঙ্গে কেউ জড়িত আছে কি না।

তিনি বলেন, স্বাভাবিকভাবে আবহাওয়ার কারণে অনেক সময় অনেক পণ্যের উৎপাদন বাড়ে, বা উৎপাদক কমে। কেউ যদি এখন মজুদ করে দাম বাড়াতে চায় তাদের এটাও চিন্তা করতে হবে যে পেঁয়াজ তো একদিন পচে যাবে। এখন পচা পেয়াজ শুকানোর চেষ্টা হচ্ছে। তাহলে মানুষকে কষ্ট দেয়া হচ্ছে কেন ? এভাবে কারা এর পেছনে আছে সেটাও আমাদের দেখতে হবে।

সকাল সোয়া ১১.টায় বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে জাতীয় সঙ্গীতের সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এর আগে তিনি সম্মেলনস্থলে পৌঁছলে স্লোগান আর করতালি দিয়ে তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান হয়। নেত্রীকে বরণ করে নেন সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি। মঞ্চে উঠে শেখ হাসিনা নেতাকর্মীদের উদ্দেশে হাত নেড়ে অভিবাদন জানান। এসময় ৬৪ জেলার প‌ক্ষে স্বেচ্ছাসেবক লীগের পতাকা একযোগে উত্তোলন ক‌রেন জেলা সভাপ‌তিরা।

সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাক, রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আা ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, এ কে এম এনামুল হক শামীম, দলের কৃষিবিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, দুর্যোগ ও ত্রাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দীসহ আরও অনেকে উপস্থিত আছেন।

Comments

comments