আজ : রবিবার, ২৩শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

দৌলতদিয়ায় সিরিয়াল না মেনে গাড়ী চালালে মামলা দিচ্ছে সার্জেন্ট সঞ্জীব


প্রতিবেদক
জনতার মেইল.ডটকম

প্রকাশিত: ১২:১১ অপরাহ্ণ ,১ নভেম্বর, ২০১৯ | আপডেট: ২:১৪ পূর্বাহ্ণ ,২ নভেম্বর, ২০১৯
দৌলতদিয়ায় সিরিয়াল না মেনে গাড়ী চালালে মামলা দিচ্ছে সার্জেন্ট সঞ্জীব

সোহাগ মিয়া-গোয়ালন্দ প্রতিনিধি।। দৌলতদিয়া ঘাটে সড়কে চলাচলের ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে পরিবহন ও পণ্যবাহী  ট্রাক চালকদের কিছু নিয়মনীতি মেনে চলতে হয়। এসব নিয়ম না মানলে নিয়ম ভঙ্গকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবার দায়িত্ব পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের। বিভিন্ন নিয়মভঙ্গের কারণে পুলিশ বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নিয়ে থাকে। যেসব কারণে যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা হতে পারেঃ- বৈধ কাগজপত্র না থাকলে-রেজিষ্ট্রেশন সার্টিফিকেট, ফিটনেস সার্টিফিকেট, ট্যাক্স টোকেন, ইন্স্যুরেন্স, সাধারণ পরিবহনের জন্য রুট পারমিট, সর্বোপরি চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স ইত্যাদি না থাকলে মটরযান আইনে মামলা হতে পারে। এগুলোকে ডকুমেন্টারি মামলা বলা হয়।

এদিকে বর্তমান রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান পিপিএম বার  রাজবাড়ীতে যোগদানের পর থেকে দৌলতদিয়া ঘাটের শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে। সকল ভিআইপি সুবিধা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সে ক্ষেত্রে ফেরী পারাপার হওয়া গাড়ি এক লাইন করে দেয়া হয়েছে।  এর জন্য লাইন ব্রেক করে যদি কোন গাড়ি ফেরি পারাপার এর জন্য তাড়াহুড়া করে আসে সে ক্ষেত্রে মামলা দিচ্ছে সার্জেন্ট সঞ্জীব।

এ বিষয়ে- শৃংখলাবদ্ধ গাড়ির ড্রাইভার, হেলপার ও শ্রমিকগণ জনতার মেইলকে জানান- সার্জেন্ট সঞ্জীব একজন নীতিবান ও দায়িত্ববান পুলিশ সার্জেন্ট। সে নীতিতে অটল। রাজবাড়ী জেলার গুরুত্বপূর্ণ একটি পয়েন্ট দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এইখানে সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ও যানজট মুক্ত রাখার জন্য সে দিন রাত অবিরাম কাজ করে যাচ্ছেন।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে যানজট নিরসন ও এক লাইন দিয়ে গাড়ি পার হওয়া সম্পর্কে ট্রাফিক সার্জেন্ট সঞ্জীবের কাছে জানতে চাইলে তিনি জনতার মেইলকে জানান। ভুল করা বা ট্রাফিক আইন না মানা-ট্রাফিক সিগন্যাল/লাইন না মেনে গাড়ী চালানো, বিপদজনকভাবে দ্রুত গতিতে গাড়ী চালানো, যখন তখন লেন পরিবর্তন করা, গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোনে কথা বলা, হেলমেট ছাড়া মটরসাইকেল চালানো ইত্যাদি কারণে মামলা হতে পারে।যানবাহনের ত্রুটি- যানবাহনের বিভিন্ন ত্রুটি যেমন হেডলাইট না জ্বলানো, ইন্ডিকেটর লাইট না থাকা বা না জ্বলা, সাধারণ পরিবহন/গাড়ীর বডিতে পার্টিকুলার বা বিবরণ না থাকা, মালিক বা মালিকের নাম ঠিকানা না থাকা, গাড়ীতে অতিরিক্ত আসন সংযোজন অথবা গাড়ীতে বিআরটিএ অনুমোদন ছাড়া কোন সংযোজন বা পরিবর্তন করা, ইত্যাদি কারণে যানবাহন মামলা হতে পারে। আর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বর্তমান আমাদের এসপি স্যার যে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনেছে ভিআইপি সুবিধা বন্ধ করে। আমি তাকে সাধুবাদ জানাই। সে ক্ষেত্রে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে এক লাইন দিয়ে ফেরিতে ওঠার জন্য গাড়ি পার হওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে যদি কোন গাড়ি লাইন ব্রেক করে তাড়াহুড়া করে ফেরীতে ওঠার জন্য আসে সে ক্ষেত্রে আমরা ওই গাড়িতে মামলা করে থাকি।

Comments

comments