আজ : রবিবার, ২৩শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

৩৮-নং সংরক্ষিত মহিলা আসনের যোগ্য প্রার্থী রাজবাড়ীর মীর মাহফুজা খাতুন মলি


প্রতিবেদক
জনতার মেইল.ডটকম

প্রকাশিত: ১০:১৩ পূর্বাহ্ণ ,৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ | আপডেট: ১০:১৭ অপরাহ্ণ ,৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯
৩৮-নং সংরক্ষিত মহিলা আসনের যোগ্য প্রার্থী রাজবাড়ীর মীর মাহফুজা খাতুন মলি

নিজস্ব প্রতিবেদক।। জাতীয় সংসদের ৩৮-নং সংরক্ষিত মহিলা আসনের প্রার্থী হিসেবে আওয়ামীলীগের মনোনয়নপত্র কিনেছেন রাজবাড়ীর ৫ জন নারী নেত্রী। এদের মধ্যে দলিয় অবহেলিত কর্মিদের সুখে দুঃখে সব সময় পাশে থেকে ও সাংগঠকি মিছিল-মিটিংএ সাধ্যমত সার্বিক সহযোগিতা করে তরুন নেত্রী হিসেবে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন বঙ্গবন্ধু আদর্শে উজ্জীবিত তরুন নেত্রী রাজবাড়ী জেলা যুব মহিলা লীগের সভাপতি মীর মাহফুজা খাতুন (মলি)। শুধুই দলিয় নেতা কর্মির কাছে নয়, তিনি সাধারন মানুষের কাছেও তিনি জনপ্রিয়। তিনি, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিষ্ঠার সাথে সার্বিক দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের মধ্যোদিয়ে অগ্রনি ভুমিকা পালন করেছেন।রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব কাজী কেরামত আলীর স্নেহের ও মূলসোতধারার রাজনীতির সাথে রয়েছেন তিনি। এ ছাড়াও, তিনি ১/১১ ‘র রাজপথের পরীক্ষিত সৈনিক হিসেবেও কাজ করেছিলেন।

শিক্ষা জীবনে- মীর মাহফুজা খাতুন (মলি) ১৯৭৯ সালে এসএসসি, ১৯৮১ সালে এইচএসসি পাশ করেন।১৯৮৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে বিএসসি (সম্মান), ১৯৮৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে এমএসসি, ১৯৮৮ সালে ঢাকা বিজ্ঞান টিচার্স ট্রেনিং কলেজ হতে বিএড পাশ করেন।

তার প্রত্যাশা, মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে অসাম্প্রদায়িক চিন্তা চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে তরুণ প্রজন্ম এবং মহিলাদের সার্বিক উন্নতি কল্পে তার সমস্ত চিন্তা-চেতনা, শক্তি-সাহস দ্বারা দেশ ও জনগণের সেবা করতে চায় জনপ্রিয় এই তরুন নেত্রী- মীর মাহফুজা খাতুন (মলি)।

পরিচয়, মীর মাহফুজা খাতুন (মলি) তার রাজনৈতিক জীবনে- রাজবাড়ী আওয়ামী লীগের কর্মকান্ডের সহিত ১৯৯২ সাল হইতে ২০০৪ সালের ২৪শে ডিসেম্বর পর্যন্ত মহিলা আওয়ামী লীগের কর্মী থাকাকালীন বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামসহ যাবতীয় রাজনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে সরাসরি জড়িত এবং অদ্যবধি পর্যন্ত সকল অর্পিত দায়িত্বসমূহ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে সফলভাবে পালন করে আসছে।সে, ২০০৪ সালের ২৫শে ডিসেম্বরে রাজবাড়ী জেলা যুব মহিলা লীগের আহবায়ক হিসাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করে।

২০০৪ সালের ২৫শে ডিসেম্বর হইতে বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগ, রাজবাড়ী জেলা শাখার আহ্বায়িকা হিসাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করি এবং আন্দোলন ও সংগ্রামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মকান্ডে কেন্দ্রের নির্দেশে আমার নেতৃত্বে রাজবাড়ীতে যুব মহিলা লীগ অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।

মীর মাহফুজা খাতুন (মলি) বর্তমানে দ্বায়িত্ব পালন করে আসছেন- সে, বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগের রাজবাড়ী জেলা শাখার-সভানেত্রী, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ রাজবাড়ী জেলা শাখার সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় পরিষদ রাজবাড়ী জেলা শাখার সহ-সভাপতি, রাজবাড়ী কাজী হেদায়েত হোসেন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির মহিলা সম্পাদিকা, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির রাজবাড়ী জেলা শাখার-সভাপতি, রাজবাড়ী সদর উপজেলা শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ সমিতির-সভাপতি।এছাড়াও রাজবাড়ী সদর উপজেলার রাজবাড়ী গোদার বাজার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাথমিক শিক্ষা কমিটির- সদস্য, রাজবাড়ী মহিলা ক্লাবের- সাধারণ সম্পাদক, রাজবাড়ী জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থা- সাধারণ সম্পাদক, রাজবাড়ী জেলা সংসদের ও উদীচী শিল্প গোষ্ঠীর- উপদেষ্টা।

মীর মাহফুজা খাতুন (মলি) একজন শহীদ পরিবারের পুত্রবধূ। তার শ্বশুর মরহুম কাজী হেদায়েত হোসেন ১৯৬৮ সাল থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত তৎকালীন গোয়ালন্দ মহকুমা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ১৯৭০ সালে রাজবাড়ীতে এমপিএ নির্বাচিত হন। তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে রাজবাড়ীতে মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন, যুদ্ধ চলাকালীন সময় শরণার্থী শিবির এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করা ও প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য ভারতে কল্যাণী ক্যাম্পের দায়িত্বে ছিলেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগষ্টে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু স্ব-পরিবারে নিহত হবার ৩ দিন পর ১৮ই আগষ্ট দুস্কৃতিকারীরা আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব শূন্য করার জন্য পরিকল্পিতভাবে শ্বশুর (কাজী হেদায়েত হোসেন) কে নৃসংসভাবে গুলি করে হত্যা করে।

মীর মাহফুজা খাতুন মলির (ভাসুর) স্বামীর বড় ভাই কাজী কেরামত আলী ১৯৯২ সাল থেকে অদ্য পর্যন্ত রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিলের মাধ্যমে সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করে আসছেন, এবং ১৯৯২ সাল হতে বর্তমান পর্যন্ত রাজবাড়ী-১ আসনের ৫ বারের সংসদ সদস্য।

এ ছাড়াও, মীর মাহফুজা খাতুন মলির এক চাচা ডাঃ মীর রমিজ উদ্দিন আহম্মেদ এবং তার ২ মামা ডাঃ আব্দুল খালেক ও ডাঃ আব্দুল মালেক- বীরমুক্তিযোদ্ধা।

ভবিষ্যত জীবনে মীর মাহফুজা খাতুন (মলি)- মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে অসাম্প্রদায়িক চিন্তা চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে তরুণ প্রজন্ম এবং মহিলাদের সার্বিক উন্নতি কল্পে তার সমস্ত চিন্তা-চেতনা, শক্তি-সাহস দ্বারা দেশ ও জনগণের সেবা করতে চায়।

রাজবাড়ীর আরো যারা মনোনয়নপত্র কিনেছেন তারা হলেন, বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামীলীগ রাজবাড়ী জেলা শাখার সভাপতি ও সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাবেক এমপি কামরুন নাহার চৌধুরী লাভলী, জেলা আওয়ামীলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. উমা সেন, বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য শাহিদা চৌধুরী তন্বী, এবং রাজবাড়ী-১ আসনের সাবেক এমপি মরহুম এ্যাডঃ আব্দুল ওয়াজেদ চৌধুরীর পুত্রবধু এবং বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও জাতীয় মহিলা সংস্থা রাজবাড়ী জেলা শাখার চেয়ারম্যান তানিয়া সুলতানা কংকনসহ আরো বেশ কয়েকজন মনোনয়নপত্র ক্রয় করেছেন বলে জানাগেছে।

Comments

comments