আজ : রবিবার, ২৩শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

গুপ্তধন উদ্ধারের প্রলোভন দেখিয়ে কৌশলে কিশোরী নিয়ে উধাও ভন্ড ফকির র‌্যাবের ফাঁদে


প্রতিবেদক
জনতার মেইল.ডটকম

প্রকাশিত: ১২:২৮ অপরাহ্ণ ,১২ মে, ২০২০ | আপডেট: ১২:৩৪ পূর্বাহ্ণ ,১৩ মে, ২০২০
গুপ্তধন উদ্ধারের প্রলোভন দেখিয়ে কৌশলে কিশোরী নিয়ে উধাও ভন্ড ফকির র‌্যাবের ফাঁদে

স্টাফ রিপোর্টার।। গুপ্তধন উদ্ধারের প্রলোভন দেখিয়ে এক ভন্ড ফকির কৌশলে ৯ম শ্রেণী পড়ুয়া ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরী মেয়েকে নিয়ে উধাও হওয়ার ৩ দিন পর ভিকটিমকে উদ্ধারসহ মুল অপহরণকারী মোঃ মনির মীর (২৭) নামের ভন্ড ফকিরকে আটক করেছে পটুয়াখালী র‌্যাব।

আটক অপহরণকারী হলো- বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার রুপধন কাটাখালী গ্রামের মোঃ আঃ খালেক মীরের ছেলে মোঃ মনির মীর (ভন্ড ফকির)।

র‌্যাব এক প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ঘটনার বিবরণ জানা যায় যে- আটক আসামী মোঃ মনির মীর নিজেকে পটুয়াখালী সদরের হেতালীয়া বাধঘাট এলাকায় অবস্থিত একটি খানকাহ শরীফের ফকির পরিচয় দিয়ে আনুমানিক ৩/৪ মাস পূর্বে আস্তানা গড়ে তুলে। উক্ত খানকাহ শরীফের পাশেই অবস্থিত ভিকটিমের পরিবারের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে এবং খানকাহ শরীফের পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন বাড়িতে গুপ্তধন উদ্ধারের গুজব ছড়ায়। গুপ্তধন পাওয়ার লোভে ওই ভন্ড ফকিরের ফাঁদে পা দেয় কিশোরীর পরিবার। এক পর্যায়ে, ভিকটিমের পরিবারকেও গুপ্তধন উদ্ধারের প্রলোভন দেখিয়ে কৌশলে ১৪ বছর বয়সী মেয়েকে নিয়ে গত ৯-৫-২০২০ ইং তারিখ ভন্ড ফকির মোঃ মনির মীর পালিয়ে যায়।

এ সংক্রান্তে অপহৃত ভিকটিমের পরিবার বিভিন্ন যায়গায় খোঁজাখুজি করেও কোথাও না পেয়ে ওই কিশোরীর মা পটুয়াখালী সদর থানায় ১১-০৫-২০২০ ইং তারিখে একটি নিখোঁজ জিডি করেন। পটুয়াখালী থানার জিডি নং-৩৮৮। এরপর, অপহৃত ভিকটিমকে উদ্ধারে র‌্যাবের সহাযোগিতা কামনা করেন।

তদপ্রেক্ষিতে- ‌র‌্যাব-৮, সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানী অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ রইছ উদ্দিনের নেতৃত্বে ১২ মে-২০২০ মঙ্গলবার সকাল ১১.টার দিকে বরগুনা জেলার পাথরঘাটা থানাধীন রুপধন কাটাখালী এলাকায় অবস্থিত একটি বাড়ি থেকে ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়। এসময় মূল অপহরণকারী মোঃ মনির মীর (২৭) কে হাতেনাতে আটক করে উক্ত র‌্যাব ক্যাম্পের একটি বিশেষ আভিযানিক দল।

উদ্ধারকৃত ভিকটিম ও আটককৃত আসামীকে পটুয়াখালী জেলার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ সংক্রান্তে ভিকটিমের মা বাদী হয়ে পটুয়াখালী থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন।

এ ঘটনায় স্থানীয় লোকজনের নিকট হতে জানা যায় যে- মোঃ মীর মনির একজন প্রতারক ও ভন্ড ফকির। ইতিপূর্বে সে ২টি বিবাহ করে এবং তার ২টি সন্তান রয়েছে। এই কিশোরী ভিকটিমকে বিয়ে করার জন্য সে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে বলেও জানাযায়।

Comments

comments