আজ : বুধবার, ১২ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ২৯শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

গোয়ালন্দ উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্যাংকিতে মিললো গরীবের ঔষুধ


প্রতিবেদক
জনতার মেইল.ডটকম

প্রকাশিত: ৩:৫২ অপরাহ্ণ ,১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ | আপডেট: ১১:২৭ অপরাহ্ণ ,১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
গোয়ালন্দ উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্যাংকিতে মিললো গরীবের ঔষুধ

সোহাগ মিয়া-গোয়ালন্দ প্রতিনিধি।। রাজবাড়ী গোয়ালন্দের উজানচর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ভবনের পেছনে সেপটিক ট্যাংকির ভেতরে পরিত্যাক্ত অবস্থায় পাওয়া গেল ট্যাবলেট, ক্যাপসুল, স্যালাইনসহ বিনামূল্যের সরকারি ঔষুধ। সেখানে জমা করা হচ্ছিল বাইরে পাচারের উদ্দেশ্যে।

এক্ষেত্রে, স্থানীয়দের অভিযোগ উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উপসহকারি কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার মোকলেসুর রহমানের বিরুদ্ধে। ১০ ফেব্রুয়ারি-২০২০ সোমবার সকালের দিকে রাজবাড়ী গোয়ালন্দের উজানচর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রটি ঘেরাও করে এসব অনিয়মের বিচার দাবি করেন স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা।

স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, স্বাস্থ্য সেবা পেতে এলাকার কয়েক হাজার মানুষের একমাত্র ভরসা গোয়ালন্দ উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের রিয়াজ উদ্দিনপাড়ায় অবস্থিত উজানচর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র। স্বাস্থ্য কেন্দ্রটিতে কর্মরত আছেন একজন মেডিকেল অফিসার ও একজন উপসহকারি কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার। সেখানে চিকিৎসা নিতে যাওয়া রোগীদের দেখার পর চিকিৎসাপত্রসহ বিনামূল্যের ওষুধ সরবরাহের নির্দেশনা থাকলেও তা মানা হয়না বলে অভিযোগ রয়েছে। সেক্ষেত্রে রোগীর জন্য বরাদ্দ ওষুধ বিক্রি হয় বাইরে।
সোমবার বেলা ১১.টার দিকে স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি ঘেরাও করেন স্থানীয় জনতা। তারা তল্লাশি চালিয়ে ভবনের পেছনে সেপটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে উদ্ধার করেন ওষুধ। এ বিষয়ে অভিযুক্ত উপসহকারি কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার মোকলেসুর রহমানের বাড়ি রাজবাড়ী সদর উপজেলার লালগোলা বাজার এলাকায়। সেখানে ‘দেশ টেলিকম এন্ড ফার্মেসি’ নামে তার দোকান রয়েছে। ড্রাগ লাইসেন্স ছাড়াই তিনি ওষুধের ব্যবসা করেন বলে জানান এলাকাবাসী।
এ ব্যাপারে উজানচর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে কর্মরত মেডিকেল অফিসার ডা. আফরোজা সুলতানা বলেন- ‘উপসহকারি কমিউনিটি মেডিকেল অফিসারের বিরুদ্ধে স্থানীয় বাসিন্দারের অভিযোগ জেনেছি। বিষয়টি আমি উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে অবহিত করেছি।’প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আসিফ মাহমুদ বলেন-  তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
মোকলেসুর রহমান বলেন, ‘সামর্থ্যবান রোগীকে আমি সরকারি ওষুধ দেই না। কিন্তু সরকারি ওষুধ বাইরে পাচারের অভিযোগ সত্য নয়। আর আমি একজন উপসহকারি কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার, তাই ওষুধ বিক্রিতে আমার কোন ড্রাগ লাইসেন্সের প্রয়োজন নেই।’

Comments

comments