আজ : শনিবার, ১৫ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ১লা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রাজবাড়ীতে প্রকাশ্যে রড ও হাতুরী দিয়ে পিটিয়ে টাকা ছিনিয়ে নিলো চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা


প্রতিবেদক
জনতার মেইল.ডটকম

প্রকাশিত: ২:৪৫ অপরাহ্ণ ,২৬ জানুয়ারি, ২০২০ | আপডেট: ১২:৫৯ পূর্বাহ্ণ ,২৭ জানুয়ারি, ২০২০
রাজবাড়ীতে প্রকাশ্যে রড ও হাতুরী দিয়ে পিটিয়ে টাকা ছিনিয়ে নিলো চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা

নিজস্ব প্রতিনিধি।। হাতুরী, রড ও দা দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে যুবকের কাছ থেকে নগদ টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নিয়েছে চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা। এসময় অনেকে এগিয়ে আসলেও ভয়ে কেউ ঠেকায়নি। জখমকৃত ছেলেটিকে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে । এ ঘটনায় রাজবাড়ী সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে।

২৫ জানুয়ারি-২০২০ শনিবার রাত সারে ৭.টার দিকে রাজবাড়ী শহরের কলেজ মোর আহ্ববান চত্বরে এ ঘটনা ঘটে।

জখমকৃত ব্যাক্তি- রাজবাড়ী জেলা শহরের লক্ষীকোল (হরিসভা, ২৮কলোনী এলাকার) গ্রামের মোঃ রফিকুল ইসলামের ছেলে মোরশেদুল ইসলাম রেজভি (১৮)। গ্রামের বাড়ি- মিজানপুর ইউনিয়নে মহাদেবপুর গ্রামে।

                        

হাসপাতালে ভর্তি থাকা মোরশেদুল ইসলাম রেজভি (১৮) জনতার মেইলকে বলেন- আমি গতবার এসএসসি পরিক্ষা দিয়ে এক সাবজেক্টে (গনিতে) ফেল করেছি, এবার সেটা দিব। সংসারে অভাব অনটন থাকায় লেখা-পড়ার পাশা-পাশি আমি ধাওয়াপাড়া (জৌকুরা ঘাটে) শিমুল কাকার বালির চাতালে প্রায় ৩ মাস ধরে চাকরি করি। বাড়ি থেকে প্রতিদিন ভোর ৫.টায় বালির চাতালে যাই আর বাড়িত ফিরে আসি রাত ৭টা/৮.টার দিকে। প্রতিদিনের মতো মটরসাইকেল যোগে গতকালও (শনিবার) ধাওয়াপাড়া থেকে বাড়িতে আসছিলাম, রাত সারে ৭.টার সময় রাজবাড়ীর কলেজ মোর আহ্ববান চত্বরে এসে পৌছাই, এ সময় হঠাৎ করে ১২/১৩ জন পোলাপান আসে, ভাই ভাই ডেকোরেটরের মালিক আনোয়ার কাকার ছেলে মেহেদী আমাকে প্রথম ঘুসি মারে। এ মূহুর্তে ২ জন আমার টাকার ব্যাগ ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে চলে যায়, ব্যাগে ৪৮ হাজার টাকা ছিল। এরপর ৭/৮ জন মিলে আমাকে মারতে থাকে। ওদের লোক আরো ৬/৭ জন দাড়িয়ে ছিল। এসময় আমি চিৎকার করলে আশ-পাশ থেকে অনেক লোক এসে দাঁড়িয়ে ছিল, ভয়ে কেউ ঠেকায়নি। শুধু আনোয়ার কাকা তার ছেলে মেহেদীকে ঠেকায়ে নিয়ে চলে যায়। অন্যরা হাতুরী ও রড দিয়ে এলাপাথারীভাবে মারতে মারতে রাস্তায় ফেলে রেখে চলে যাওয়ার পর, সুজাত ভাইসহ আরো লোকজন আমাকে হাসপাতালে নিয়ে আসে (বেড নং ‍এস-১৩)।। আমি প্রায় সবাইকে চিনেছি। হাসপাতালে পুলিশ এসেছিল তাদের কাছে ও আমার আব্বা-আম্মার কাছে ৯/১০ জনের নাম বলেছি। তবে আমার সাথে কারো কোন শত্রুতা নাই।

এ বিষয়ে, হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রেজভির বাবা মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন- আমার ছেলের ও প্রত্যাক্ষদর্শির কাছ থেকে শুনে এ ঘটনায় মামলা করার উদ্দেশ্যে ১০ জনের নাম উল্লেখ করে রাজবাড়ী সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। আমি ওই সন্ত্রাসীদের কঠিন শ্বাস্তি চাই।

এ বিষয়ে, রাজবাড়ী সদর থানার ওসি স্বপন মজুমদার মুঠোফনে জানান- ২৫/১/২০২০ তাং রাতেই একটা লিখিত অভোগ পেয়েছি, তাতে ১০ জনের নাম উল্লেখ রয়েছে।

Comments

comments