আজ : রবিবার, ২৩শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

প্রতারনার ফাঁদ ফরিদপুর সাফা মক্কা পলিক্লিনিক; যেন দেখার কেউ নেই


প্রতিবেদক
জনতার মেইল.ডটকম

প্রকাশিত: ১২:৩৭ পূর্বাহ্ণ ,২০ অক্টোবর, ২০১৯ | আপডেট: ১২:৩৮ পূর্বাহ্ণ ,২০ অক্টোবর, ২০১৯
প্রতারনার ফাঁদ ফরিদপুর সাফা মক্কা পলিক্লিনিক; যেন দেখার কেউ নেই

স্টাফ রিপোর্টার।। সরকারী নিয়মনীতির প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলী প্রদর্শন করে প্রয়োজনীয় নীতিমালা না মেনেই ফরিদপুর শহরের বিভিন্ন অলিগলিতে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠছে প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিক। ব্যক্তি মালিকানাধীন এসব ক্লিনিকে স্বাস্থ্যসেবার নামে চলছে রমরমা ব্যবসা ও প্রতারণা। অধিকাংশই নির্ধারিত শর্ত মেনে চলছে না এসব প্রাইভেট হাসপাতাল ক্লিনিক গুলো। তাদের সেবার মান নিয়ে রয়েছে নানা অভিযোগ। এ নিয়ে প্রায়ই সময় ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সেবা গ্রহণকারীদের ঝগড়া হয়। আবার ভুল চিকিৎসায়ও অনেক সময় ঘটে অনাকাঙ্খিত ঘটনা।  

এক্ষেত্রে ফরিদপুর শহরে বিরাজ করছে উল্টো চিত্র। বেশ কিছু ক্লিনিক রয়েছে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল এলাকায়। যার যার ইচ্ছেমতো ক্লিনিক গড়ে তুললেও স্থানীয় প্রশাসন এ ব্যাপারে নীরব ভূমিকা পালন করছে। জনসাধারনের স্বাস্থ্যসেবার লক্ষ্যে গড়ে ওঠা এসব ক্লিনিক নিয়মিত প্রশাসনের মনিটরিং থাকলেও কোনোরকম জবাবদিহিতা ছাড়াই প্রাইভেট ক্লিনিক ল্যাবরেটরিগুলোতে চলছে রমরমা ব্যবসা।

শহরের অধিকাংশ ক্লিনিকে নেই প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, নার্স, ওয়ার্ড বয় ও আয়া। বিভিন্ন বিষয়ে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের সংকট তো আছেই। সংশ্লিষ্ট বিষয়ের নিজস্ব চিকিৎসক না থাকলেও রোগী ভর্তি করা হচ্ছে এসব ক্লিনিকে। বাইরে থেকে চিকিৎসক নিয়ে সেবা দেয়া হয় রোগীর। এতে রোগীকে গুনতে হয় বাড়তি অর্থ। ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালের চিকিৎসকরা এসব ক্লিনিকে গিয়ে রোগী দেখেন ও চিকিৎসা দিয়ে থাকেন।

হাসপাতাল ও ক্লিনিকের পাশাপাশি ফরিদপুরে যত্রতত্র গড়ে উঠেছে প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরি, ডায়াগনস্টিক সেন্টার। এসব প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নগরীতে গড়ে উঠেছে দালাল সিন্ডিকেট। যারা সরকারি হাসপাতালগুলো থেকে রোগীদের নিয়ে যায় ব্যক্তি মালিকানাধীন ক্লিনিক হাসপাতালে। তেমনিভাবে বিভিন্ন পরীক্ষার জন্য দালালরা রোগীদের নিয়ে যায় প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরি, ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। বিনিময়ে দালালরা রোগী প্রতি নির্ধারিত হারে কমিশন পেয়ে থাকে। বিভিন্ন পরীক্ষার কমিশন পেয়ে থাকেন চিকিৎসকরাও। এসব পরীক্ষার ফি তুলনামূলকভাবে বেশি নিলেও সঠিক রোগ নির্ণয়ের জন্য তাদের উপযুক্ত-আধুনিক সরঞ্জাম নেই। নেই দক্ষ টেকনিশিয়ানও। আবার, অবভিজ্ঞ ডাক্তারকে দিয়ে ডেলিভারি করানোর সময় অনেক রোগী মারা যায়। ক্লিনিকে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও অপারেশন থিয়েটার না থাকলেও অহরহ সিজার করা হচ্ছে। এতে মাঝে মধ্যে রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটছে। এসব ক্লিনিকগুলো পরিদর্শন করে দেখা গেছে অপারেশন থিয়েটার, এক্সরে কক্ষ, ডাক্টার চেম্বার অত্যন্ত পরিবেশের। প্রশাসনের চোখের সামনে ব্যাঙের ছাতার মতো ক্লিনিক গড়ে উঠলেও প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে। স্থানীয় প্রভাবশালীদের প্রভাবে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস দেখায় না। এসব সমস্যা এখন এমন পর্যায়ে চলে গেছে যা সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি করছে।

জানাযায় তেমনই একজন ভুক্তভোগীর কথা। নাম এস.এম.রিয়াজুল করিম। তিনি পেশায় একজন সাংবাদিক। রাজবাড়ি সদর উপজেলার রাজবাড়ি পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের লক্ষীকোল গ্রামের বাসিন্দা। সাংবাদিকদের জানান- কিভাবে একটি ক্লিনিকে প্রতারনার স্বীকার হয়েছেন। তার বাবা মোঃ আব্দুর রহমান শেখ (৬৫)।

এ বিষয়ে, তার ছেলে এস.এম. রিয়াজুল করিম বলেন- আমার আব্বার পিত্তথলিতে পাথর হওয়ার জন্য তিনি মারাত্বক অসুস্থ হয়ে পড়েন। যার দরুন গত ৯/১০/২০১৯ ইং তারিখ বুধবার অটোবাইকে করে সকাল ১১.টার দিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে অবস্থিত সাফা মক্কা পলিক্লিনিকে পৌছাই এই পিত্ত থলির পাথর অপারেশনের জন্য। এরপর ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপতালের ডাঃ ফজলুল হক শোভন দুপুর ১২.টার দিকে ওই ক্লিনিকে এসে সেখানে রোগীকে দেখে বিভিন্ন টেষ্ট দিয়ে চলে যায়। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী বিভিন্ন পরিক্ষা করা হয় অন্য একটি ক্লিনিকে ইকো টেষ্ট করানো হয়। এ সকল টেষ্ট বাবদ ওই ক্লিনিকের কাউন্টারে ৩,৩০০/টাকা জমা দেই। এরপর  সকল টেষ্টের পর ওই ক্লিনিকের শহিদ ভাই রাত ৮.টার দিকে আমাকে সাথে নিয়ে অন্য একটি ক্লিনিকে থাকা চেম্বারে গিয়ে ডাঃ শোভনকে রিপোর্ট দেখান। আমার কাছে প্রতারণা কৌশল মনে হয়। এভাবে সারাদিন পাড় করার পর অবশেষে রাত ৯.টার দিকে আমার সাথে ওই ক্লিনিকের একটি কক্ষে বসে কন্ট্রাকে ভর্তির কথা বলে,আমি তখন হতাশ ও দিশেহারা। কারন রোগী ছাড়ার আমার সাথে রয়েছে আমার মা,ফুপু, ভাগ্নে ও আব্বা (রোগী)। তখন বৃষ্টি হচ্ছে ও রাত ৯.টা বাজে। সবাইকে নিয়ে এত রাতে আমি এখন কোথায় যাব? এদিকে সারাদিন রিসিপশনে বসিয়ে রাখায় আব্বার পেটের ব্যাথায় কাতর, অবস্থাও খারাপ। তখন বসলো আমার সাথে অপারেশনের জন্য কন্ট্রাকে। মনের মধে হতাশা নিয়েও শক্তভাব দেখিয়ে তারপরেও আমি পরিষ্কার ভাষায় তাদেরকে বললাম- অপারেশনের জন্য যদি শরীর ফিট থাকে অর্থাৎ নিশ্চিত অপারেশন করা গেলে ভর্তি নেন,আর তা-না হলে ভর্তি নিয়েন না,কারন ভর্তি নেওয়ার পরে ২/৩ দিন পরে বলবেন পারলামনা,আমাদের ক্লিনিক ভারা দেন,টেষ্টে এমনি অনেক টাকা খরচ করাইছেন। এমন কথা বলার পর- শহিদ ও মিজান ভাই জানালেন আপনি নিশ্চিতে থাকুন,যে ভাবেই হোক আমরা অপারেশন করিয়ে দেব,এটা আমাদের দ্বায়িত্ব। অপারেশন না করতে পারলে ভর্তি বাবদ কোন টাকা লাগবে না। ঔষধ, ক্লিনিক ভাড়া ও ডাক্তারের ফি সহ মোট ৪০,০০০/- টাকা দিবেন। তাদের কথা অনুযায়ী অগ্রীম ২০ হাজার টাকা জমা দেই কাউন্টারে। বাকীটা অপারেশন সাকসেস হওয়ার পর দেওয়ার কথা। তখন ক্লিনিকের মিজান ভাই ও শহিদের দাবি মেনে নিয়েই হতাশ হয়েই আব্বাকে ভর্তি করতে হয়েছে। এরপর ১১ অক্টোবর-১৯ শুক্রবার রাত ৯.টা হতে ১০.টা পর্যন্ত সময়ে ওই ক্লিনিকের ওটি (নন এসি রুম) তে সফল অপারেশন হয়।

        

অপারেশনে অংশগ্রহন করেন ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালের ডাঃ ফজলুল হক শোভন (সার্জিক্যাল) ও ডাঃ ইউনুস (অজ্ঞান)। অপারেশন শেষে ফরিদপুর থেকে ১৭ অক্টোবর-১৯ বৃহস্পতিবার বেলা সারে ৩.টার দিকে আমার আব্বাকে বাড়িতে নিয়ে আসার সময় মিজান ভাই আমার কাছে আরো ২৫ হাজার টাকা দাবি করে। আমি বললাম ২৫ হাজার কেন কন্ট্রাক অনুযায়ি পাবেনতো ২০ হাজার টাকা। সে বললো, না ২৫ হাজার তো দিবেনই পারলে আরো কিছু দেন। তখন আমি কথা না বারিয়ে ২৫ হাজার টাকা দিয়ে দেই।

এখন আমার প্রশ্ন হচ্ছে ,আমার বাবার অপারেশন,ঔষধ ও ক্লিনিকভাড়া সহ যাবতীয় চিকিৎসা ব্যায় ৪০ হাজার টাকা নির্ধারন করা হয়েছিলো এবং আমরা সেই প্রস্তুতি নিয়েই এসেছিলাম। চিকিৎসার পর বাবাকে বাড়ি নিয়ে যাওয়ার সময় কর্তৃপক্ষ মিজান ও শহীদ আরো বাড়তি ৫হাজার টাকা আদায় করে নিয়েছে। আমি পেশায় একজন সাংবাদিক, এ পরিচয় দেওয়া সত্বেও তাহারা যদি এমন চাদাবাজি করে, তাহলে সাধারন মানুষের সাথে কেমন চাদাবাজি করে ? একটু ভেবে দেখুন! আমার নিকট থেকে এই ৫ হাজার টাকা বেশী অদায় করে নিল, এটা কি প্রতারনা নয় ?

তিনি আরো বলেন,আমার সাথে যখন এমন করলো, তখন আমি ফরিদপুর জেলার পশ্চিম খাবাসপুরের সাফা মক্কা ক্লিনিক সম্পর্কে খোজ নিয়ে জানতে পারি আরো প্রতারনার কাহিনী। যা ফরিদপুরের স্বাস্থ্য সেবার মান নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এ বিষয়ে খোজখবর নিতে গেলে গৃহবধূর স্বজনেরা জানান, এ বছরের ২৫ মে এক গৃহবধু প্রসবজনিত অসুস্থাবস্থায় পশ্চিম খাবাসপুরের সাফা মক্কা ক্লিনিকে এসে ভর্তি হন। সেখানে তাকে সিজারের ৩ মাস ১৮দিন পর এক গৃহবধূর পেট থেকে ২য় বার অপারেশন করে বের করা হয় গজ ব্যান্ডেজ। যা বিভিন্ন গণ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। এই গৃহবধূর নাম ফরিদা বেগম। সে সালথা উপজেলার রসুলপুর গ্রামের মাসুদ শেখের স্ত্রী। ওইদিনই হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. শ্যামল কুমার বিশ্বাস তার সিজার করেন। একটি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। এদিকে, ক্লিনিক থেকে ছাড়পত্র দিয়ে দিলেও শারীরিকভাবে সুস্থ ছিলেন না ওই গৃহবধূ। বাড়ী যাওয়ার পর ক্রমেই পেটের ভেতরে ব্যাথা অনুভব হতে থাকে। সম্প্রতি ওই ব্যাথা প্রকট আকার ধারণ করলে একই এলাকার হ্যাপী হাসপাতাল ক্লিনিকে ভর্তি করেন স্বজনরা। চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী আলট্রাসনোগ্রাম করলে পেটের মধ্যে গজ ব্যান্ডেজের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। পরে বৃহস্পতিবার রাত নয়টার দিকে ফের অপারেশন করে পেট থেকে কয়েক ইঞ্চি পরিমাপের এক টুকরো গজ ব্যান্ডেজ উদ্ধার করা হয়। অপারেশন পরিচালনাকারী চিকিৎসক ডা. স্বপন কুমার জানান, অসুস্থ এক রোগীর পেট থেকে গজ বের করা হয়েছে, বর্তমানে তিনি শংকামুক্ত। দীর্ঘদিন ধরে পেটের মধ্যে গজ ব্যান্ডেজ থাকায় ইনফেক্সন হয়েছিল বলেও জানান তিনি। এদিকে, অভিযুক্ত চিকিৎসক ডা. শ্যামল কুমার বিশ্বাস এ ব্যাপারে কিছু বলতে রাজি হননি। তিনি ওই রোগীর সিজার করেছিলেন কিনা তাও স্মরণে নেই বলে জানান। এছাড়া ওই সাফামক্কা ক্লিনিকের পক্ষ থেকেও কেউ কথা বলতে চাননি।

উল্লেখ্য, ১৯৮২ সালের মে মাসে প্রাইভেট প্র্যাকটিস ও ক্লিনিক নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত আইনের অধ্যাদেশ জারি করা হয়। ওই অধ্যাদেশে মেডিকেল কনসালটেন্সির জন্য ফি নির্দিষ্ট করে দেয়াসহ ক্লিনিকগুলো কোনো ধরনের অপারেশনের জন্য কত টাকা নেবে এবং ল্যাবরেটরি ফি বেঁধে দেয়া হয়। এমনকি অধ্যাদেশের সাত নম্বর অনুচ্ছেদে বাধ্যতামূলকভাবে যেসব চার্জ ও ফি সংশ্লিষ্ট ডাক্তারদের চেম্বার ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরিতে ডিসপ্লে করার বিধান আরোপ করা হয়। ওই অধ্যাদেশে প্রাইভেট ক্লিনিক স্থাপনের লাইসেন্স পেতে ৭টি শর্ত আরোপ করা হয়। এতে যথাযথ স্থানসহ রোগীর জন্য স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ, প্রত্যেক রোগীর সিটের জন্য ৮ বর্গফুট জায়গা, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত অপারেশন থিয়েটার, জীবন রক্ষাকারী ও অত্যাবশ্য ওষুধের পর্যন্ত সরবরাহ এবং রোগীর অপারেশনে ট্রিটমেন্ট ও তত্ত্বাবধানের জন্য বিশেষজ্ঞ ডাক্তার নিয়োগ নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া একটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠায় ৩৬ ধরনের চিকিৎসা যন্ত্রপাতি এবং প্রতি ১০ বেডের জন্য একজন করে সার্বক্ষণিক রেজিস্টার্ড মেডিক্যাল প্রাকটিশনার ২ জন নার্স এবং ১ জন সুইপার নিয়োগ বাধ্যতামূলক। কিন্তু ফরিদপুর নগরীর ক্লিনিক হাসপাতালগুলোতে বিধিমোতাবেক জনবল নেই। অধিকাংশ প্রাইভেট ক্লিনিক ও হাসপাতালই জোড়াতালি দিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

ফরিদপুর শহরে যতগুলো প্রাইভেট ক্লিনিক রয়েছে তার মধ্যে বেশি প্রতারনা করে থাকে ফরিদপুর “সাফা মক্কা পলিক্লিনিক”। এই ক্লিনিকের পক্ষ থেকে নিয়োগ করা হয়েছে কিছু সংখ্যক দালাল। এরা রোগীপ্রতি কমিশন নিয়ে থাকে। ঐসব দালাল গ্রামাঞ্চলের সহজ সরল মানুষকে বিভিন্ন প্রলোভন দিয়ে ক্লিনিকে নিয়ে আসে। ক্লিনিকে সব রোগের চিকিৎসা করা হয়, এমন প্রচারণার কথাও শুনা যায়। কোন প্রয়োজন ছাড়াই এই ক্লিনিকে বিভিন্ন ধরণের পরীক্ষা করানোর নামে শত শত রোগীদের পকেট থেকে হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকা।

Comments

comments