আজ : রবিবার, ২৩শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মা-ইলিশ রক্ষায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন রাজবাড়ী জেলা মৎস্য অফিসার


প্রতিবেদক
জনতার মেইল.ডটকম

প্রকাশিত: ৭:২২ অপরাহ্ণ ,৩০ অক্টোবর, ২০১৮ | আপডেট: ৯:৪১ পূর্বাহ্ণ ,২ নভেম্বর, ২০১৮
মা-ইলিশ রক্ষায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন রাজবাড়ী জেলা মৎস্য অফিসার

নিজস্ব প্রতিবেদক।। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে এবারের অভিযানে মা ইলিশ রক্ষায় আদা-জ্বল খেয়ে কোমর বেঁধে নদীতে নেমে দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রমের মধ্যো দিয়ে সাহসিকতার সাথে দায়িত্ব কর্তব্য পালন করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন রাজবাড়ী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মজিনুর রহমান।

রাজবাড়ী জেলার পদ্মা নদীতে মা ইলিশ শিকারীদেরকে বিশেষ ভিজিএফ (চাউল) খাদ্যশস্য দিয়ে সাহায্য-সহযোগীতা করে ও জনসচেতনামূলক সভা-র‌্যালী করার মধ্যোদিয়ে এ অভিযানের পদক্ষেপ গ্রহন করেন রাজবাড়ী জেলা প্রশাসন ও জেলা মৎস্য অধিদপ্তর। শুধু তাই নয়, ইলিশ সম্পদ রক্ষায় গৃহীত কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে সক্রিয় সহযোগিতা প্রদানের জন্য রাজবাড়ীর  জেলা প্রশাসক মোঃ শওকত আলী জেলার সকল উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকে উপানুষ্ঠানিক পত্র প্রেরণ করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে, এ সময়ে জেলেদের নদীতে পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থ্যা নেওয়া হবে বলে জানান জেলা প্রশাসন ও জেলা মৎস্য অধিদপ্তর। তারই ধারাবাহিকতায় রাজবাড়ী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মজিনুর রহমানের নেতৃত্বে ও জেলা প্রশাসনের তত্বাবধানে এবছরে সফলতার সাথে সমাপ্ত হয়েছে মা ইলিশ রক্ষা অভিযান-১৮।

রাজবাড়ী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মজিনুর রহমান “জনতার মেইল.কম “ কে জানান, এবছরে- মা ইলিশ রক্ষা অভিযানের অংশ হিসেবে রাজবাড়ী জেলায় শুরু থেকে মোট ১৩০টি মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়, অভিযান ২৩৫টি।অভিযানে সর্বমোট আটক করা হয় ৫৫০ জন জেলেকে, তা মধ্যে বিভিন্ন মেয়াদে কারদন্ড প্রদান করা হয় ৫১৪ জনকে, বাঁকী ৩৬ জনকে জরিমানা করা হয়েছে সর্বমোট ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা, এ ছাড়াও ৩ হাজার ৩শত ১ কেজি ইলিশ জব্দ করা হয়েছে এবং ৩৩ লক্ষ ৪২ হাজার মিটার জাল ধ্বংস করা হয়েছে।এ বছরে অভিযান ০৭/১০/২০১৮ ইং তারিখ হতে শুরু করে ২৮/১০/২০১৮ ইং তারিখ রাত ১২.টা পর্যন্ত সমাপ্ত হয়।

তবে, এবারের এই সফল অভিযানের পরিপ্রেক্ষিতে বলা বাহুল্য যে, দেশের ইলিশ সম্পদ রক্ষায় বাংলার প্রত্যেক নদী সংশ্লিষ্ট জেলা গুলোতে বিষেশ প্রয়োজন মোঃ মজিনুর রহমানের মতো দ্বায়িত্ববান মৎস্য অফিসার।

উল্লেখ্য, নিশেধাজ্ঞা অমান্য করে রাজবাড়ীর পদ্মায় ইলিশ ধরার অপরাধে বিভিন্ন সময়ে, জেলা প্রশাসকের ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, আনসার, র‌্যাব বাহিনী অংশগ্রহন করেছে। কখনও কখনও আবার রাজবাড়ী জেল প্রশাসক, রাজবাড়ী পুলিশ সুপার নিজেরাও অভিযানে অংশগ্রহন করেছেন।

Comments

comments